izmir kizlar
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

২৯ এপ্রিল একটি শোকাবহ দিন, দুঃসহময় স্মৃতি ভেসে আসে হ্নদয়ের মানসপটে

FB_IMG_1588149552019.jpg

আজ ২৯ এপ্রিল। উপকূলবাসীর কাছে এক দুঃসহময় স্মৃতির দিন।

১৯৯১ সালের এই দিবাগত রাতে বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগর উপকূলে আঘাত হেনেছিল মহাপ্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস। লাশের পর লাশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল চারদিকে। বিস্তীর্ণ অঞ্চল পরিণত হয় ধ্বংস স্তূপে। পরদিন সেই ধ্বংসলীলা দেখে কেঁপে উঠেছিল বিশ্ব বিবেক। সহায় সম্বল ও স্বজনহারা উপকূলের বেঁচে যাওয়া মানুষগুলো পেয়েছিলেন আবার নতুন জীবন।

২৯ বছর আগের সেই মহাপ্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের আঘাত তছনছ করে দিয়েছিল উপকূলীয় জনপদ। ঘণ্টায় ২০০ থেকে ২২৫ কিলোমিটার গতিবেগের প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড় এবং ২৫ থেকে ৩০ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসে দেশের উপকূলীয় এলাকা পরিণত হয়েছিল বিরানভূমিতে। ভেসে গিয়েছিল ফসলের ক্ষেত, লাখ লাখ গবাদিপশু। ভয়াবহ ওই ঘূর্ণিঝড়ে মারা যান প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার মানুষ। যদিও সরকারি হিসাব মতে মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ৩৮ হাজার।

কক্সবাজারের আট উপজেলা ও চট্টগ্রামের বাঁশখালী-আনোয়ারাসহ উপকূলের হাজার হাজার গ্রাম লণ্ডভণ্ড হয়েছিল। সম্পদহানি হয়েছিল ৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি। বিলীন হয়ে গিয়েছিল চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সহ বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকার প্রায় আড়াইশ কি.মি. বেড়িবাঁধ। ভয়াল সে স্মৃতি আজও কাঁদায় পুরো উপকূলবাসীকে।

দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি শোকাবহ দিন। দুঃসহময় সে স্মৃতি এখনও কাঁদায় স্বজনহারা মানুষগুলোকে। সেই ধ্বংসযজ্ঞের স্মৃতি বয়ে নিয়ে আবারও উপকূলীয় মানুষের কাছে দিনটি ফিরে এসেছে।

২৯ এপ্রিলের এই দিনে কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়াসহ বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও বাংলাদেশের বিভিন্ন উপকূল এলাকায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছিল,তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। সেই সাথে শোক-সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীরভাবে সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

মহান আল্লাহ ২৯ এপ্রিলে নিহতদের সবাইকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুক,আমিন।

লেখক-
মো.শাহাদত হোছাইন
সম্পাদক,কক্সনিউজটুডে ডট কম।
সা.সম্পাদক,কুতুবদিয়া নাগরিক পরিষদ।
সভাপতি,কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিটি।

Top