izmir kizlar
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

করোনার তালিকা যাচাই করতে গিয়ে নিজেই করোনা পজিটিভ হলেন স্কুল শিক্ষক

FB_IMG_1590173342695.jpg

জাহেদুল ইসলাম:

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত তহবিলের প্রকৃত প্রাপ্য অধিকারের নিশ্চয়তার তালিকা যাচাই করতে গিয়ে নিজেই করোনা ভাইরাসের পজিটিভ তালিকাভুক্ত হলেন স্কুল শিক্ষক। তাতেও বিন্দু মাত্র মনে কোন কষ্ট নেই মানুষ গড়ার এই কারিগরের।নিজে করোনা পজিটিভ হয়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শে প্রয়োজনীয় ঔষধ সেবনসহ হোম কোয়ারেন্টাইনে বন্দী আছেন। লক ডাউন করা হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

অপরদিকে, করোনার ভয়াবহতায় নিজের চাইতে মহাবিপদে বন্দী রয়েছে সাড়ে সাত বছরের কন্যা সন্তানসহ আক্রান্তের স্ত্রী এবং এক ছোট ভাই। ছোট্ট এই কন্যা শিশুটি আজ দুদিন যাবত প্রচন্ড জ্বরে আক্রান্ত হলেও মিলছে না করোনা পরিক্ষার কোন সুযোগ।যেজন্য নিজের চাইতে কন্যার সুখেই বিভোর করোনা যুদ্ধের এই অংশীদার।এমনই এক তথ্যের সন্ধান মেলে কক্সবাজার পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডস্থ মোহাজের পাড়া এলাকায়।

ঘটনার বিবরনে জানাযায়, কক্সবাজার সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় (কসউবি), ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক।

সকলের প্রিয় আবদুল আমিন প্রঃআমিন স্যার। সদা হাস্যজ্বল আমিন স্যার দায়িত্বে যেমন অবিচল তেমনিভাবে শিক্ষার্থীদের কাছেও অতুলনীয় এক অভিভাবক। কথা হয় মহান এই শিক্ষকের সাথে।

করোনায় আক্রান্তের বরাদ দিয়ে তিনি জানান, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক উক্ত ওয়ার্ডের মোহাজের পাড়া, বৈদ্যঘোনা, খাজা মঞ্জিল, মহেশখালী পাড়া এবং পূর্ব আই বি পি মাট সংলগ্ন এলাকার ৩৫ জন প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত সহায়তার সুবিধা ভোগীর তথ্য যাচাই করতে যান।দায়িত্ব পালন শেষে বাড়ি ফেরার পর যখন গত ১৪ মে শারিরীক অসুস্থতা অনুভব করেন এলাকার ফার্মেসী থেকে ঔষধ ক্রয় করে তা সেবন করেন।

পরদিন রাতে শুরু হয় জ্বরের জ্বালাতন। কোনমতে রাত কাটিয়ে দুপুরে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ডাঃ শামসুদ্দিনের। ডাক্তারের পরামর্শে ১৭ মে জেলা সদর হাসপাতালে করোনা পরিক্ষার নমুনা দিয়ে রীতিমতো ঔষধ সেবন করেন। পরবর্তী ২০ মে জানতে পারেন তিনি করোনা ভাইরাসে পজিটিভ।

বর্তমান ক্রান্তিলগ্নে সকল প্রকার সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখে চল্লেও পূনরায় করোনার ভয়াবহতায় সরকারি নির্দেশনা মতে পুরো পরিবার নিয়ে লক ডাউনের মাঝে হোম কোয়ারান্টাইনে আতংকে দিনাতিপাত করছেন বলে জানান এই শিক্ষক। এছাড়াও তিনি জ্বরে আক্রান্ত ছোট্ট কন্যা শিশুর করোনা পরিক্ষার কোন প্রকার সুযোগ না পাওয়ায় শঙ্কিত রয়েছেন বলেও জানান।

এমতাবস্থায় সরকার পক্ষ থেকে শিশুটির করোনা পরিক্ষার জন্য উদাত্ত আহ্বান করেন। এবিষয়ে কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)জনাব মো:মাহমুদ উল্লাহ মারুফ’র সাথে যোগাযোগ করা হলে জ্বরে আক্রান্ত শিশুর নমুনা পরিক্ষার বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান।

Top