izmir kizlar
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

সংসদে অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলামকে স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

FB_IMG_1591870387878.jpg

বিশেষ প্রতিবেদক।।

সংসদের বাজেট অধিবেশনের শোক প্রস্তাবে সদ্য প্রয়াত অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলামকে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্পিকার ড.শিরীন শারমিন চৌধুরী এই শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

বুধবার (১০জুন) সংসদের বাজেট অধিবেশনে এ শোক প্রস্তাব করেন।

সুত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণে বাংলাদেশ সহ বিশ্বের দেশে দেশে ব্যাপক প্রাণহানি, ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান মোল্লা, আটজন সাবেক সংসদ-সদস্য ও সাবেক গণপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলামের মৃত্যুতে সংসদে সর্বসম্মতভাবে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে শোক প্রস্তাবের উপর আলোচনায় অংশ নেন।

শোক প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জহিরুল ইসলাম সাহেব, কক্সবাজার। ষাটের দশকে যখন রাজনীতি একদম নিষিদ্ধ ছিল তখন আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কারাগার থেকে মুক্তি পান। ‘৫৮ সালে মার্শাল ল হওয়ার পর তিনি গ্রেপ্তার হন। এবং তারপর থেকে প্রতিবছরই, তখন রাজনীতি যেহেতু নিষিদ্ধ কক্সবাজার যেতেন, আমরা যেতাম। এবং তখন উনি (অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম) ছাত্র ছিলেন এবং তার পরবর্তীতে আমার মনে হয় ‘৬৮ সালে আমি কক্সবাজার গেলাম। সেই সময়, আমি তখন রাজনীতির সাথে সক্রিয় ছিলাম তখন উনি একটা প্রশ্ন করেন।

সংসদ নেতা বলেন, বিয়ের পরপরই আমি কক্সবাজার যাই। তখন উনি আমার স্বামীকে জিজ্ঞেস করেন, জাতির যখন কোন প্রয়োজন হবে আপনি আপনার স্ত্রীকে অনুমতি দিবেন কিনা। তখন আমি ঠাট্টা করে বললাম অনুমতির কি আছে, আমি তো বিয়ের দিন থেকেই, সারাক্ষণই রাজনীতির সাথে জড়িত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী আমি, আমি তো ছাত্রলীগ করি এবং ছাত্রলীগের একজন কর্মী। তো এখানে অনুমতির কি আছে? আমি বঙ্গবন্ধুর মেয়ে হিসেবে আমার তো অন্য কোন কিছু নাই। আমার আব্বা যখন জেলে, আব্বাকে তখন ষড়যন্ত্র মামলায় কারাগারে রেখেছে, সেই সময় ১৮-১৯ নভেম্বরে আমরা গিয়েছিলাম। ঐ সময় জহিরুল ইসলাম সাহেব, তখনো আমাকে সবসময় উৎসাহ দিতেন।

শেখ হাসিনা বলেন, যদিও পরবর্তীতে উনি কামাল হোসেন সাহেবের সাথে চলে যান। সবসময় আমার সাথে উনার যোগাযোগ ছিল এবং আমি উনাকে বলতাম, আপনার দরজা আওয়ামী লীগের জন্য সবসময় খোলা থাকবে। ঠিক মৃত্যুর কিছুদিন আগে, খুব অসুস্থ ছিলেন। খালি বললেন নেত্রীকে একটু বলো, আমি আওয়ামী লীগ হয়ে মরতে চাই। আমি তো উনাকে কখনো বের করে দেইনি। উনি নিজেই যান, উনি আসেন, উনি আছেন, উনি থাকবেন। বলেন, আমি যেন আওয়ামী লীগ হিসেবে একটু জানাজা পাই। এভাবে আরো অনেকে যারা মারা গেছেন তাঁদের যে একটা অবদান আমাদের সংগঠনের পেছনে।

উল্লেখ্য, বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের অধিকারী এডভোকেট জহিরুল ইসলাম গণপরিষদের সদস্য,কক্সবাজার জেলার গর্ভনর,কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সফল সাধারণ সম্পাদক, কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং গণফোরাম প্রতিষ্ঠাকালীন প্রেসিডিয়াম সদস্য,কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য ছিলেন। কক্সবাজার বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স পরিচালনা কমিটির সভাপতি’র দায়িত্বও দীর্ঘদিন পালন করছেন তিনি। গত ১৮ মে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় উনাকে দাফন করা হয়।

Top