izmir kizlar
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

চেম্বারে রোগী নিয়ে ব্যস্ত চিকিৎসক, সেবা পাচ্ছে না হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা

IMG_20200714_011313.jpg

বিশেষ প্রতিবেদক।।

কুতুবদিয়া হাসপাতালের ডাক্তাররা প্রাইভেট চেম্বার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন। তাই হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা পাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী ও রোগীর স্বজনরা। জরুরী বিভাগ ও ইনডোর ডিউটি ডাক্তার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন যেই ডাক্তার। আবার সেই একই ডাক্তার হাসপাতাল গেইটে প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখেন এমন অভিযোগও রয়েছে অহরহ।

সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেল সাড়ে পাঁচটায় কুতুবদিয়া হাসপাতালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জরুরী বিভাগে কোন ডাক্তার নেই, নেই কোন সহকারিও। জরুরী বিভাগটি ঠিকই খোলা রয়েছে। জরুরী বিভাগের ভিতরে সংরক্ষিত চেয়ার দুটি খালি থাকলেও দেখা মেলেনি কারো। জরুরী বিভাগের বাইরে দাঁড়িয়ে আছে রোগির কয়েকজন স্বজন। কারণ জানতে চাইলে তারা বলেন, ডিউটি ডাক্তার এর জন্য তারা অপেক্ষা করছেন।

প্রায় ৩০ মিনিট পর দেখা মেলে হাসপাতালে সালাউদ্দিন নামের এক স্টাফের সাথে। জরুরী বিভাগের ডাক্তার ও সহকারি কে আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা দুজনেই বাইরে গেছেন। রোগী আসলে কল দিলে তারা আসবে।

হাসপাতালে দু’তলায় ডিউটি রুমে গেলে দেখা মেলে একজন দায়িত্বরত নার্সের। তার কাছ থেকে ডিউটি ডাক্তার কে জানতে চাইলে তিনি জানেন না বলে দাবী করেন। তিনি আরো বলেন, ডিউটি চলে নার্সদের, ডাক্তারদের কোন ডিউটি চলে না। তারা তো আমাদের বস, এ খবর কে রাখে?

রোগীর স্বজনদের সাথে ফাইল নিয়ে হাসপাতালে উপরে-নিচে দৌঁড়াদৌঁড়ি করতে দেখা গেছে এক আয়াকে। কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ডিউটি ডাক্তার স্যারকে খুঁজতেছি রোগীর ফাইলে স্বাক্ষর করার জন্য। স্যার হাসপাতালের গেইটে চেম্বারে আছেন।

ফাইল দেখে রোগীর সাথে কথা বললে তিনি জানান, সিট কেটে দিয়েছে ডাক্তার,ছাড়পত্রে কখন যে ডাক্তার সই দেবে, সেই অপেক্ষায় বসে আছি। কিন্তু কখন যে ডাক্তার আসবে? এই হলো কুতুবদিয়া হাসপাতালের প্রতিদিনের চিত্র।

১০ মিনিট পর ডিউটি ডাক্তার আসলো প্রাইভেট চেম্বার থেকে। ডিউটি রুমে ঢুকে টেবিলের উপর থাকা ৪/৫ টি ফাইল স্বাক্ষর করে ফের চেম্বারে চলে গেলেন তিনি। এতক্ষন যার কথা বললাম তিনি হলেন ডাক্তার রেজাউল হাসান। তিনি একাধারে হাসপাতালের ইমার্জেন্সি ও ইনডোরের ডিউটি ডাক্তার এবং হাসপাতালের বাইরে প্রাইভেট চেম্বার ‘আশশেফা মেডিকেল হলে’ রোগী দেখেন।

এদিকে, অভিযুক্ত ডা.রেজাউল হাসানের (ডিউটি ডাক্তার) মোবাইলে কল দিলেও রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে মোবাইলে সংযোগ পাওয়া গেলে গুরুত্ব সহকারে বক্তব্য ছাপানো হবে।

কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, ইমার্জেন্সি ডাক্তার ও ডিউটি ডাক্তার হিসেবে এখন একজনেই দায়িত্ব পালন করেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, গতকাল কুতুবদিয়া হাসপাতালের নুরুল হামিদ নামের একজন ডাক্তার
যিনি উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসার, তিনি করোনা পজিটিভ হন। এ কারণে তার সংস্পর্শে থাকা আরো ৪ জন ডাক্তারকে হোম কোয়ারেন্টাইন রাখা হয়েছে। আরো ১জন ডাক্তার ছুটিতে রয়েছেন। বাকী ৮ জন নিয়মিত সেবা দিয়ে যাচ্ছেন রোগীদের। হাসপাতালে ডিউটিকালীন কোন ডাক্তার একই সাথে প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখতে গেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Top