izmir kizlar
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

মহেশখালীতে রেঞ্জ কর্মকর্তা হত্যার ঘটনায় উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন পূর্বক সুষ্ঠু তদন্তের দাবী

received_320438539145517.jpeg

নিজস্ব সংবাদদাতা।।

চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগের আওতাধীন মহেশখালী রেঞ্জের কেরুনতলী বিটের করইবুনিয়া এলাকায় ষড়যন্ত্রমূলক সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা ইউসুফ উদ্দীন হত্যার ঘটনায় উচ্চ পর্যায়ের নিরপেক্ষ কমিটি গঠন পূর্বক সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে উক্ত ঘটনায় পরোক্ষ এবং প্রত‍্যক্ষভাবে জড়িত সবার শাস্তি নিশ্চিত করার দাবী জানিয়েছে তার পরিবার।

এ বছরের ২৫ ই ফেব্রুয়ারি মহেশখালী রেঞ্জে সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা তথা একজন শিক্ষানবিশ হিসেবে যোগদান করেন কুতুবদিয়া উপজেলার নিজাম উদ্দিনের পুত্র ইউসুফ উদ্দীন(২৮)। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ ই জুলাই তথা শিক্ষানবিশ হিসেবে যোগদানের ৪ মাস ১৫ দিন পর ইউসুফ উদ্দীনকে দলপ্রধান করে ২২.০১.০০০০.৭৬৩.০৫.০০.২০২০.৩৬৮ নং পত্র মূলে কেরুনতলী বিটে সার্বক্ষণিক অবস্থান পূর্বক টহল কার্য পরিচালনা করিয়া সকল প্রকার বন অপরাধ দমনের জন‍্য একক ক্ষমতাবলে আদেশ জারি করেন মহেশখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা সুলতানুল আলম চৌধুরী। যা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলছে তার পরিবার।

উক্ত আদেশক্রমে গত ৩০ ই জুলাই ইউসুফ উদ্দীন টহল দলের বেশ কয়েকজন সদস্য এবং কেরুনতলী বিট অফিসার আহমদ কবিরকে সাথে নিয়ে রেঞ্জের কেরুনতলী বিটের সংরক্ষিত বনভূমিতে অবৈধ পানের বরজ নির্মাণে বাধা দিতে গেলে পঞ্চাশ থেকে ষাটজন মানুষ কর্তৃক অতর্কিত হামলার শিকার হন তারা। এতে নাটকীয় ভাবে কেবল সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা ইউসুফ উদ্দীনই জখম হয়। এক পর্যায়ে অবস্থা বেগতিক হলে তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। যেখানে দীর্ঘ ৭ দিন অচেতন অবস্থায় থাকার পর অবশেষে গত ৬ ই আগষ্ট মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

এদিকে রেঞ্জ কর্মকর্তা সুলতানুল আলম চৌধুরী এবং বিট কর্মকর্তা আহসানুল কবিরকে অভিযুক্ত করে উক্ত হত‍্যাকান্ডকে সম্পূর্ণ পরিকল্পিত এবং ষড়যন্ত্রমূলক হিসেবে আখ্যায়িত করছে নিহত ইউসুফ উদ্দীনের পরিবার, সহপাঠী সহ অনেকেই।

গত ৩ ই আগষ্ট উক্ত হামলার ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগীয় কর্মকর্তা এস এম গোলাম মাওলা। যেখানে কক্সবাজার উপকূলীয় বন বিভাগের সহকারী বন রক্ষককে আহ্বায়ক, অভিযুক্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা সুলতানুল আলম চৌধুরী এবং গোরকঘাটা রেঞ্জ কর্মকর্তা হাবিবুল হককে সদস্য করা হয়। অভিযুক্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা সুলতানুল আলম চৌধুরীকে তদন্ত কমিটির সদস্য করাটা হাস‍্যকর, নাটকীয় এবং তাকে বাচানো এবং সুষ্ঠু তদন্তকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা বলে মনে করছেন সচেতন মহল সহ অনেকেই। নিহত ইউসুফ উদ্দীনের পরিবার এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। যদিও পরবর্তীতে সমালোচনার মুখে পড়ে উক্ত কমিটি হতে সুলতানুল আলম চৌধুরীকে বাদ দিয়ে আংশিক পরিবর্তন করতে বাধ্য হয় চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগ। তবে উক্ত কমিটিও হত্যাকান্ডের জন‍্য অনুপযুক্ত মনে করছেন তার পরিবার।

নিহত ইউসুফ উদ্দীনের পিতা নিজাম উদ্দীন বলেন, আমার ছেলে একজন সৎ এবং নিষ্ঠাবান অফিসার হওয়ায় ভুমিদস‍্যুদের সাথে আতাতবদ্ধ হয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা সুলতানুল আলম চৌধুরী, বিট কর্মকর্তা আহসানুল কবির এবং উক্ত সিন্ডিকেটে জড়িতরা ষড়যন্ত্র করে আমার ছেলেকে হত্যা করেছে। আমি উচ্চ পর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন পূর্বক উক্ত হত‍্যকান্ডে পরোক্ষ এবং প্রত‍্যক্ষভাবে জড়িত সবার শাস্তি নিশ্চিতকরণের দাবী জানাচ্ছি।

সোস্যাল মিডিয়ায় -উচ্চ পর্যায়ের নিরপেক্ষ কমিটি গঠন পূর্বক সুষ্ঠু তদন্তের দাবী জানিয়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বনকর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক ব‍্যাক্তিবর্গ এবং তার এলাকাবাসী। অন‍্যথায় হত‍্যার বিচার নিশ্চিতকরণে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন সহ রাজপথে আন্দোলনের কথাও জানান তারা।

Top