izmir kizlar
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

ওসি প্রদীপের প্রতিহিংসার শিকার সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা জামিনে মুক্ত

IMG_20200827_202934.jpg

মো.শাহাদত হোছাইন।।

দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগ করে অবশেষে কারামুক্ত হয়েছেন সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা খান। মেজর (অবঃ) সিনহার হত্যা মামলার আসামী টেকনাফ থানার বহিষ্কৃত ওসি প্রদীপের নির্দেশে টেকনাফ থানায় দায়ের করা ৬ টি মামলায় জামিন পেয়েছেন তিনি। তিনি জাতীয় অনলাইন জনতারবাণীর সম্পাদক। এর আগে স্থানীয় দৈনিক কক্সবাজারবাণী পত্রিকারও সম্পাদক ছিলেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগষ্ট) সন্ধ্যা ৬ টার দিকে কক্সবাজার কারাগার থেকে মুক্তিপান লাভ করেন তিনি।

আদালত সুত্রে জানা গেছে, সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা টেকনাফের বহিষ্কার ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে মাদক নির্মূলের আড়ালে বিচার বহির্ভূত হত্যা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে বিভিন্ন সময় সংবাদ পরিবেশ করেছিলেন। যার কারনে ওসি প্রদীপ সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফাকে ঢাকা থেকে ধরে এনে মাদক ও চাঁদাবাজির ৬ টি মিথ্যা মামলায় জড়িত করে ও শারীরিক নির্যাতন করে। ওই মামলাগুলোতে সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা গেল ১১ মাস ধরে কারাভোগ করেছেন।

ইতোপুর্বে ৫টি মামলা থেকে সে জামিন লাভ করে। ২৭ আগষ্ট সকাল সাড়ে ১১টায় কক্সবাজার জেলা যুগ্ম দায়রা জজ (১ম) আদালত থেকে চাঁদাবাজির শেষ মামলায়ও নির্যাতিত ফরিদুল মোস্তফাকে জামিন প্রদান করেন।

আসামী পক্ষে মামলার জামিন শুনানী করেন- এড. মোঃ আব্দুল মান্নান, এড. আবুল কালাম ছিদ্দিকী, এড. রেজাউল করিম রেজা ও এড.সাইফুদ্দিন খালেদ প্রমূখ।

মামলা সুত্রে জানা যায়, গত ৬ জুলাই ২০১৯ সালে বহিস্কৃত ওসি প্রদীপের নির্দেশে টেকনাফের হ্নীলার দরগাপাড়ার মৃত তাজর মল্লুককে বাদী করে টেকনাফ থানায় (জি.আর-৫৭৭/১৯) চাঁদাবাজির মামলাটি দায়ের করেন।

কারা ফটকের গেইটে তার স্ত্রী হাসিনা আকতার, বোন ফাতেমা আকতার বেবি, সালমা আকতার, মেয়ে সুমাইয়া মোস্তফা, ছেলে শাহেদ মোস্তফা, সাজেদুল মোস্তফা এবং নিকটতম স্বজনসহ সহযোদ্ধা সাংবাদিকরা ফরিদুল মোস্তফাকে বরণ করে নেন।

Top