izmir kizlar
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

কোভিড-১৯: কীভাবে টিকা পাবে বাংলাদেশ?

vaccine-makers-250620-01.jpg

সিএনটি ডেস্ক।।

সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেডের তৈরি করা সম্ভাব্য টিকার তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা বাংলাদেশেও হবে।
পৃথিবীর মানুষের কাছে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কী? তালিকা করলে সবার উপরে আসবে করোনা ভাইরাসের টিকার কথা, যার ওপর নির্ভর করছে আগামী দিনের অনেক কিছু।

বিভিন্ন দেশ এবং খ্যাত-অখ্যাত নানা কোম্পানি এই টিকা তৈরির জন্য নানা ধাপের পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে সম্ভাব্য যেসব টিকা আশা জাগাচ্ছে, সেগুলো পাওয়ার জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের অগ্রিম বুকিং দিয়ে রাখছে ধনী দেশগুলো।

টিকা তৈরি হলে তা পাওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে চেষ্টা শুরু করেছে বাংলাদেশও। ইতোমধ্যে চীনা একটি কোম্পানিকে বাংলাদেশে তাদের টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ভারতে টিকা উৎপাদন শুরু হলে তা আনার জন্য চুক্তি করেছে বাংলাদেশের একটি কোম্পানি। টিকার জন্য রাশিয়ায় চিঠি দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে সরকারের তরফ থেকে।

আন্তর্জাতিক জোট ‘গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনসের (গ্যাভি) এর অধীনে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনস গ্লোবাল অ্যাকসেস ফ্যাসিলিটির (কোভ্যাক্স) মাধ্যমে টিকা পাওয়ার জন্যও ইতোমধ্যে আবেদন করেছে বাংলাদেশ।

তবে কবে নাগাদ করোনাভাইরাসের অনুমোদিত টিকা সাধারণ মানুষের নাগালে আসতে পারে- সেই প্রশ্নের নিশ্চিত কোনো উত্তর কারও কাছে নেই।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম বলেন, “কোথাও এখন পর্যন্ত সফলভাবে ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছে, এটা কেউ বলতে পারে না। সেকেন্ড ট্রায়াল হয়েছে, কেউ কেউ থার্ড ট্রায়াল করছে। আমাদের অবস্থান হচ্ছে ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য যা যা করা দরকার সেগুলো বাংলাদেশ করছে এবং কোনো দেশের চেয়ে পিছিয়ে নেই।”

করোনাভাইরাসের টিকা তৈরির চেষ্টায় বিশ্বে এখন প্রায় দুইশ গবেষণা চলছে। এর মধ্যে ছয়টি সম্ভাব্য টিকা পৌঁছেছে পরীক্ষার একেবারে শেষ ধাপে। করোনা
ভাইরাসের টিকা তৈরির চেষ্টায় বিশ্বে এখন প্রায় দুইশ গবেষণা চলছে। এর মধ্যে ছয়টি সম্ভাব্য টিকা পৌঁছেছে পরীক্ষার একেবারে শেষ ধাপে।

Top