izmir kizlar
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

কুতুবদিয়ায় চাল আত্মসাতের ঘটনায় ৬ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

IMG_20200908_005450.jpg

মো.শাহাদত হোছাইন।।

অবশেষে কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ খাদ্য গুদামের ১৯০ মে.টন সরকারি চাল আত্মসাতের ঘটনায় গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পলাশ পাল চৌধুরীসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (৭সেপ্টেম্বর) দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-২ এর সহকারি পরিচালক রতন কুমার দাশ বাদি হয়ে মামলাটি
(মামলা নং-৩) করেছেন।

মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন-কুতুবদিয়া বড়ঘোপ খাদ্যগুদামের খন্ডকালীন পরিচ্ছন্ন কর্মী মো.শাহজাহান প্রকাশ মিন্টু, নিরাপত্তা প্রহরী নিজাম উদ্দিন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দপ্তরের স্প্রে ম্যান মো. শাহজাহান (বর্তমানে কুতুবদিয়া উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দপ্তরে নিযুক্ত), মেসার্স হিমায়ন সী-ফুডস এর প্রোপ্রাইটর ও কক্সবাজার শহরের টেকপাড়ার সিকদার মহল এলাকার জানে আলমের স্ত্রী দিলরুবা হাসান এবং মেসার্স মোহনা এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর ও শহরের ঝাউতলা গাড়িরমাঠ এলাকার মাস্টার শফিকুর রহমানের ছেলে সেলিম রেজা।

সূত্রে জানা যায়,গত ২১ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত এই ১০ দিনে ঠিকাদার দিলরুবা হাসান ও সেলিম রেজার মাধ্যমে কক্সবাজার সদর এলএসডি থেকে ৩০২.৬৭৯ মে. টন চাল বড়ঘোপ খাদ্য গুদামে প্রেরণ করা হয়। সেখান থেকে পরস্পর যোগসাজস ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ১৯০ মে.টন সরকারি চাল গুদাম থেকে আত্মসাৎ করে।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-২ এর সহকারি পরিচালক রতন কুমার দাশ জানান,ক্ষমতার অপব্যবহার করে ১৯০ মে.টন সরকারি চাল, যার বাজার মূল্য ৮৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এই টাকা আত্মসাৎ করেছেন। যা দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ ধারা তৎসহ ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারার শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়েছে। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকালে অন্য কারো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এদিকে, মামলার প্রধান আসামী গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পলাশ পাল চৌধুরীকে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে কক্সবাজার শহরের হোটেল শৈবাল এর সামনে থেকে দুদকের নির্দেশে তাকে আটক করে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ।

এর আগে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) আফিফ আল মাহমুদ ভুঁইয়া গত ২৯ জুলাই কুতুবদিয়া থানায় লিখিত ডায়েরী (জিডি নং-৯৯৮) করেন। দুদকের তপসীলভুক্ত বিদায় অভিযোগটি দুর্নীতি দমন কমিশন দুদকে প্রেরণ করেন থানা পুলিশ।

অন্যদিকে, সরকারি চাল আত্মসাতের এই ঘটনায় জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসাইন তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন। এতে ছিলেন, কুতুবদিয়া উপজেলার সদ্যবিদায়ী নির্বাহি অফিসার জিয়াউল হক মীর,পিআইও খোকন চন্দ্র দাস ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আমজাদ হোসেন। সেই সাথে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে এই তদন্ত রিপোর্ট জমা দানের নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক।

তদন্ত কমিটির সদস্য পিআইও খোকন চন্দ্র দাস প্রতিবেদককে জানান, ৫ দিনের মধ্যে জেলা প্রশাসক বরাবর আমরা তদন্ত রিপোর্ট জমা দিই। ওখানে শুধুমাত্র খাদ্য কর্মকর্তা পলাশ পাল চৌধুরীর সম্পৃক্ততা পেয়েছি। সে নিজে আত্মসাতের ঘটনা স্বীকার করেছে। কারাগারে আটক থাকা খাদ্য কর্মকর্তাকে কোথায় পেয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তার সাথে মোবাইলে কথা বলে বক্তব্য রেকর্ড করেছি। সেখানে সে সরকারি চাল আত্মসাতে নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করেছে। সরকারি চাল আত্মসাতের ঘটনায় একজন পিআইও হিসাবে নিজের সম্পৃক্ততা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা শুধু ডিও দিই। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরা তা দিয়ে গুদাম থেকে চাল সংগ্রহ করেন। তাই আমার সম্পৃক্ত থাকার প্রশ্নই আসে না।

Top