izmir kizlar
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

কক্সবাজার এলএ অফিসের আলোচিত’অফিস সহকারী-অফিস সহায়ক-নৈশপ্রহরী’সিন্ডিকেট এখন বেপরোয়া

IMG_20201014_205013.jpg

বিশেষ প্রতিবেদক।।

কক্সবাজার এলএ অফিসের বর্তমান সময়ের আলোচিত বস জাহাঙ্গীর আলম (৩৫)। অফিসের ‘অফিস সহায়ক’ হলেও তার কথা ছাড়া একইঞ্চিও ফাইল নড়ে না। পুরাতন সকল স্টাফদের একযোগে বদলী করা হলেও অদৃশ্য শক্তির কারণে তার বদলী না হওয়ায় পুরাতন স্টাফ হিসেবে অফিসের বস দাবী করে সে নিজেকে। এডিসি রাজস্ব ও বিভিন্ন সচিবের প্রভাব দেখায় অফিসের অন্যান্য স্টাফ ও এলএ অফিসের দালালদের।
অফিসের বিভিন্ন কর্তাদের কাজগুলো দেখাশুনা করা ও অফিসের বাইরে দালালদের সাথে অফিসের পক্ষে মিডিয়া করে বলে অভিযোগ উঠেছে এই অফিস সহায়ক জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে। তার খুঁটির জোর কোথায়, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে?

সুত্রে জানা গেছে, এলএ অফিসে যোগদানের পর চকরিয়া একটি হাসপাতালের শেয়ার নেন এই জাহাঙ্গীর। শেয়ার নেন চকরিয়ায় একটি ব্রীকফিল্ডেও। কলাতলী ৫১ একরে তার রয়েছে ২টি প্লট। রয়েছে কলাতলী এলাকায় তার কয়েকটি ভাড়াবাসাও।মাসে ৮-১০ লক্ষ টাকা অফিসের কাজ থেকে পারসেন্টিজ নেন দালালদের কাছ থেকে এমন অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। চকরিয়ায় বানিয়ারছড়াস্থ নিজ বাড়িটি ৫ তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে বিল্ডিং এর কাজ শুরু করে এবং বর্তমানে
একতলার নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।

সুত্রে আরো জানা গেছে,এলএ অফিসে যোগদানের আগে চকরিয়া ভুমি অফিসে
ও এমএমএসএস পদে কর্মরত ছিলেন তিনি। তদবীর করে চকরিয়া ভুমি অফিস থেকে এলএ অফিসে আসছে তিনি। রাজকীয় চলাফেরা ও ভিআইপি হোটেলে হয় তার নিয়মিত খাওয়া-দাওয়া। অফিস সহায়ক হলেও রাজকীয় চেয়ার-টেবিল নিয়ে বসে চলে তার অফিস করার কাজ।

তাছাড়া, কক্সবাজার হোটেল-মোটেল জোনের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পাশে একটি কটেজে শেয়ার রয়েছে বলে জানা গেছে। সেখানে বসবাস করেন এবং ওখানেই দালালদের সাথে বিভিন্ন ফাইলের তদবীরের কাজের বৈঠক হয়। ফাইলে নিজের জন্য আলাদা ৫% ছাড়া কোন ফাইল একইঞ্চিও নড়ে না বলে জানান কয়েকটি সুত্র। ওই অফিসের অফিস সহকারী নুরুন্নবী ও নৈশপ্রহরী বশির আহমদের সহায়তায় দালালদের সাথে বৈঠক করে ফাইলের টাকা আদায় করে এই এমএলএসএস জাহাঙ্গীর আলম। নৈশপ্রহরীর রাতে অফিসের বাইরে ডিউটি হলেও সিন্ডিকেটের সদস্য হিসেবে তার
কাজ রাতে অফিসের ভিতরে। দালালদের সাথে পারসেন্টিজের কথা চুড়ান্ত হলে ফাইলগুলো রেকর্ডরুম থেকে রাতেই খুঁজে বের করার দায়িত্ব এই নৈশপ্রহরীর।

এদিকে, এলএ অফিসে যোগদানের বছরের মধ্যেই কোটিপতি বনেছেন বলে জানা গেছে এই জাহাঙ্গীর। তার অবৈধ সম্পদের হিসাব বের করে আইনের আওতায় আনতে দুদকের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

অভিযুক্ত এলএ অফিসের ‘অফিস সহায়ক’ জাহাঙ্গীর আলমের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান,
চজরিয়ায় কোন হাসপাতাল বা কোন ব্রিকফিল্ডে তার শেয়ার নেই। তবে কলাতলী ৫১ একরে একটি প্লট আছে বলে স্বীকার করেন তিনি। অফিসের সবাই বদলী হলেও নিজের বদলী না হওয়ার পিছনে কোন অদৃশ্য শক্তি নাই দাবী করে বলেন, সব স্টাফদের যখন একযোগে বদলী করা হয়েছে, তার ১৫/২০ দিন আগে আমি যোগদান করি এবং দালালদের সাথে কোন সম্পর্ক নেই বলে দাবী করেন তিনি।

কক্সবাজার এলও অফিসের অফিস সহকারী নুরুন্নবীর সাথে কথা হলে তিনি জানান, ফাইলের কোন কন্ট্রাক আমি নিই না। এমনকি দালালদের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই। অফিস সহায়ক ও নৈশপ্রহরীর সাথে আমার কোন সিন্ডিকেট নেই। তারা আমার অধীনে হলেও যার যার কাজ আলাদা এবং নিজের কাজ নিজেকে করতে হয়।

Top