izmir kizlar
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

চকরিয়ায় অপহরণ ও চাঁদাবাজি মামলার আসামী মুজাম্মেল হককে হন্যে হয়ে খুঁজছে পুলিশ

received_651310109078403.jpeg

চকরিয়া প্রতিনিধি।।

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় অপহরণ, চাঁদাবাজি ও অর্থ আত্মসাৎ মামলায় আদালতের পরোয়ানাভূক্ত আসামী মুজাম্মেল হককে হন্যে হয়ে খুঁজছে পুলিশ। উপজেলার ডুলাজারার কাটাখালীর হোছেন আহমদের ছেলে মুজাম্মেল হককে গ্রেফতার করতে ইতিমধ্যে চকরিয়া থানা পুলিশ উপজেলার বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়েছে। এদিকে পুলিশের গ্রেফতার এড়াতে ধূর্ত মুজাম্মেল হক চকরিয়ায় আত্মগোপনে রয়েছেন।
জানা যায়, গত কয়েক মাস পূর্বে চকরিয়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ হাকিম সিআর ৬৮৯/১৯ ইংরেজী নং অপহরণ ও চাঁদাবাজি মামলায় মুজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেন।

ঘটনার বিবরনে জানা গেছে, মামলার বাদী পেকুয়া সদর ইউনিয়নের মেহেরনামার গ্রামের বাসিন্দা মাওলানা মুহাম্মদ নুরুজ্জামান মঞ্জুকে উক্ত আসামী পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ২০১৯ সালে চকরিয়া কোর্ট প্রাঙ্গন থেকে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে তার কাছ থেকে তিন লাখ টাকা ও জোরপূর্বক তিনশত টাকার ননজুডিশিয়াল স্টাম্পে স্বাক্ষর নেন। বাদী নিরুপায় হয়ে কোন রকম স্বাক্ষর দিয়ে ঘটনা কাউকে বলবেনা বলে ওয়াদা দিয়ে ছাড়া পেয়ে চকরিয়া থানায় এসে এজহার দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক জাকের হোসেন প্রতারক মুজাম্মেল হককে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। কিন্তু চকরিয়ার প্রভাবশালী নেতাদের তদবীরে সেদিন মুজাম্মেল থানা থেকে ছাড়া পেয়ে যায়।

চকলিয়া থানা পুলিশের অপরাগতায় বাদী নুরুজ্জামান মঞ্জু নিরুপায় চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সিআর মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ৬৮৯/১৯ ইং। পরে আদালত মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেষ্টিগেশন (পিবিআই) কক্সবাজার কে নির্দেশ দেন।

এদিকে পিবিআই, কক্সবাজার দীর্ঘদিন তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপর চকরিয়ার বিজ্ঞ আদালত মুজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে ওই মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।
চকরিয়া থানা পুলিশ জানায়, মুজাম্মেল হককে গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। এখানো গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে মুজাম্মেল হককে গ্রেফতারে থানা পুলিশ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ খবর নিচ্ছে।
জানা যায়, ম্যানগ্রোভ এসেস লিমিটেড ও অদিকতর তদন্ত করে ১ কোটি ৬৭ লাখ ৫৫ হাজার ৭শত ৫৪ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মুজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাও দায়ের করেছে ওই সংস্থা।

Top