izmir kizlar
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

কক্সবাজারে ব্লিচিং পাউডার নিয়ে নতুন প্রতারকচক্র মাঠে

Polish_20201024_222516738.jpg

মো.শাহাদত হোছাইন।।

কক্সবাজারে ব্লিচিং পাউডারের পরিবর্তে চকেরগুড়ি দিয়ে নতুন প্রতারণার ফাঁদে ফেলে এক ব্যবসায়ী থেকে ২৬ হাজার টাকা নিয়ে লাপাত্তা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। ওই নতুন প্রতারক দলের হাত থেকে বাঁচতে সকলকে সতর্ক হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন প্রতারণার শিকার ব্যবসায়ী।

প্রতারণার শিকার ব্যক্তি আইবিপি রোড়ের দোকানদার মোহাজেরপাড়া এলাকার বাসিন্দা শাহআলম।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে তার দোকানে এই প্রতারণার শিকার হয়।

ওই সংঘবদ্ধ প্রতারকদের আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপও কামনা করে তিনি প্রতিবেদককে জানান, তাঁর মত অন্ততঃ আর কেউ যেন প্রতারণার শিকার না হয়। তার জন্য সকলকে সতর্ক ও সাবধান করতে জনগনকে জানানোর প্রয়োজন মনে করেন বলেই, ক্ষতিগ্রস্ত হলেও জনসাধারণকে জানাতে আমার এই প্রয়াস।

তিনি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, এক ভদ্রলোক এসে প্রথমে আমার দোকান থেকে একটি চার্জার কিনে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর আরেক লোক আসেন, যিনি ব্লিচিং পাউডার বিক্রয় প্রতিনিধি (এসআর সাইফুল- ০১৮৫৯-৩৬৪৫১৩)। তিনি বললেন, আধা কেজি পাউডার বিক্রি করলে আমি ৩০ টাকা কমিশন পাবো আর বিক্রয় প্রতিনিধি (এসআর) ও পাবেন ১০ টাকা। ইতোমধ্যে চার্জার কেনা সেই লোকটি আবার হাজির হলেন আমার দোকানে ইজিলোড করতে। তিনি দুজনের কথার মধ্যখানে বললেন তার হ্যাচারীতে কিছুদিন পরপর ২০০ কেজি ব্লিচিং পাউডার লাগে। যা কেজি প্রতি ২০০ টাকা করে দোকান থেকে কিনে। লোকটি বলল আমি বরং আপনার কাছ থেকে নেবো। আমি আর আপনি লভ্যাংশ ভাগ করবো। মালগুলো কিনে নেন রাত ১০ টায় নগদ টাকা দিয়ে আপনার কাছ থেকে নিয়ে যাবো, আপনি ৭ হাজার টাকা লাভ পাবেন। সেই কথায় আমি ২ বস্তা মাল নগদ ১৩ হাজার টাকা দিয়ে কিনে নিই। তারা ২ জনেই চলে যায়। রাত ১০ টায় আগে চার্জার কেনা সেই কাস্টমার (০১৩১২-৪৮৬৬৭৬) আমাকে কল দিয়ে বলেন, আমি হ্যাচারীতে স্যারের সাথে কথা বলেছি কাল নাকি আরো ২০০ কেজি লাগবে। সস্তা যখন পেয়েছেন, তাদের কাছ থেকে কিনে নিয়ে ফেলেন। সবগুলো একসাথেই নগদ টাকা দিয়ে আমি নিয়ে আসবো। তার কথা মতো আমি সেই এসআর’র সাথে কথা বলি। এসআর আলম সাহেব নামের তার বসকে
(০১৮৬৫৮৯৫৩৬৫) কথা বলতে দেন। তিনি মাল বাবদ ১৩০০০/- টাকা বিকাশ করতে বলেন (পার্সোনাল-
০১৮১৮-২৯৮৫৩৩) এই নম্বর দিয়ে। আমি সরল বিশ্বাসে ওই টাকা তাদের দেওয়া সেই বিকাশ নাম্বারে পাঠিয়ে দিই। পরে রাত সাড়ে ১০ টার দিকে তাদের নম্বরে যোগাযোগ করলে সব নম্বর বন্ধ পাই। ততক্ষণে আমার বুঝতে বাকি রইলো না যে, তারা প্রতারক চক্র।

এই ব্যাপারে প্রতারকদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান প্রতারণার শিকার শাহআলম।

Top