izmir kizlar
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

মোস্তাক আহমদ চৌধুরীকে নিয়ে শ্রমিকলীগ সভাপতির আপত্তিকর শ্লোগান, সর্বত্র ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া

received_350325346059499.jpeg

এম.ওসমান গণি ।।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য, কক্সবাজার জেলা আ.লীগের সাবেক আহ্বায়ক, সাবেক সাংসদ, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রথিতযশা রাজনীতিক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাক আহমদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দিলেন কক্সবাজার জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম সিকদার।

রবিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনের আগে তিনি এমন আপত্তিকর শ্লোগান দেন। শ্লোগানে বলা হয়, ‘মোস্তাক মিয়ার গালে গালে, জুতা মারো তালে তালে’। এ নিয়ে সর্বত্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন আওয়ামী পরিবারের নেতাকর্মীরা।

জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জানান, মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী জেলা আওয়ামী লীগের বাতিঘর। সাবেক সাংসদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা। তার বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতির অভিযোগ নেই। কোন কালিমা তাকে ছুঁতে পারেনি। একজন প্রবীণ, নির্ভীক ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ নিয়ে এমন শ্লোগান সত্যিই উদ্বেগের বিষয়।

এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক খোরশেদ আলম বলেন, খান মোহাম্মদ মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী ১৯৭০ সালের নির্বাচিত এমপি। তিনি একজন পরিচ্ছন্ন জনপ্রতিনিধি। অসহায় মানুষের প্রতি তিনি অত্যন্ত আন্তরিক। কিছু স্বার্থন্বেশী ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য মোস্তাক আহমদ চৌধুরী নিয়ে আপত্তিকর শ্লোগান দিয়েছেন। যা শিষ্টাচার বহির্ভূত। আমি জেলা আওয়ামী লীগের কর্মী ও রেড ক্রিসেন্টের সেক্রেটারি হিসেবে ওই শ্লোগানের তীব্র নিন্দা জানায়।
জেলা যুবলীগের সভাপতি সোহেল আহমদ বাহাদুর বলেন, রেড ক্রিসেন্ট কমিটি নিয়ে কোন মতানৈক্য থাকলে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যায়। এ নিয়ে নিজেদের মধ্যে কাঁদা ছুড়াছুড়ি কখনো কাম্য নয়। স্বাধীনতা বিরোধী চক্র আওয়ামী পরিবারের মাঝে ফাটল ধরাতে এই ধরণের ইন্ধন দিয়ে যাচ্ছে। আমাদের উচিত সবাই মিলেমিশে থেকে দলকে শক্তিশালী করা।

ঝিলংজা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বলেন, মোস্তাক আহমদ চৌধুরী জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর জননেত্রী শেখ হাসিনা তাকে ভালবাসেন। সেখানে এমন ব্যক্তি নিয়ে কুরুচীপূর্ণ শ্লোগানের বিরুদ্ধে আমি তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম সিকদার বলেন, নির্বাচন না করে, কাউকে না জানিয়ে হুট করে সদর দপ্তর থেকে সবাইকে অনিয়মের অভিযুক্ত করে চিঠি দেওয়া ঠিক হয়নি। যদি কেউ অনিয়ম বা দুর্নীতি করে, তাহলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে পারত। নির্বাচন করে নতুন কমিটি ঘোষণা করা যেতো। দুর্নীতি করে কেউত রেহায় পাবে না, আজ না হয় কালত প্রমাণ হবে। তখন তাকে শাস্তির আওতায় আনা যাবে। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন না করার জন্য হুট করে সদর দপ্তর এমন কাজটি ঠিক করেনি। নিয়ম ও আইনের বাইরে এমন কাজটি করেছে ঢাকায় বসে। জাহাঙ্গীর আলম ও অধ্যাপক আব্দুর রহিম নামের দুই ব্যক্তিকে কথিত এ্যাডহক কমিটিতে কার্যনির্বাহি সদস্য করা হয়েছে। অথচ তারা আজীবন সদস্য নয়। সদস্য নয় এমন কাউকে এ্যাডহক কমিটিতে রাখাও যায় না। মূলত মোস্তাক আহমদ চৌধুরীকে আমরা বলেছি আগামী বার নির্বাচন করবো না। এবার শেষ নির্বাচন আমাদের। কিন্তু তিনি কারো কথায় কর্ণপাত না করে ঢাকায় গিয়ে আমাদের কমিটি ভেঙ্গে পকেট কমিটি দিয়েছেন। তিনি একজন চিটিং ও বাটপার।

এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কক্সবাজার পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা এডভোকেট ফখরুল ইসলাম গুন্দু তার ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে নিজের অনুভুতি প্রকাশ করেন যা হুবহু তুলে ধরা হলো-আমি আজ খুবই মর্মাহত,বাকরুদ্ধ।ককসবাজার জেলায় কোন ভদ্র লোক,কোন শিক্ষিত লোক, কোন সন্মানিত লোকের পক্ষে আওয়ামীলীগের রাজনীতি করা যাবে কিনা প্রশ্ন দেখা দিয়াছে।আজ হটাৎ আমার মোবাইল এর ফেইসবুকে মোন্তাক মিয়ার গালে গালে জোতা মারো তালে তালেে াশ্লাগান শুনে চমকে উটলাম।দেখলাম তারা কারা,সুউচ্ছ স্বরে স্নোগান ধরা লোকটা আর কেউ নয়, জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম।কোন সাহসে সে সর্বজন শ্রদ্বেয় কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগ এর বর্তমান সময়ের সবচেয়ে প্রবীনতম নেতা মোম্ভাক আহম্মদ চৌধুরীর মত একজন শ্রদ্ধাভাজন নেতার বিরোদ্ধে ঐ জাতীয় ন্যাকারজনক প্রকাশ্যে শ্লোগান দেয়ার সাহস পায়? আওয়ামীলীগ এর রাজনীতিতে তার বয়স কতবড় জোর দশ বার বছর হবে।আমি যখন ১৯৮৬ সালে ককসবাজার কলেজের ছাত্রসংসদ নিবাচন করি তখন জহির সাহেব এরশাদের ছাত্রসমাজের পক্ষে জি,এস পদে নির্বাচন করেছিল। তা মনে হয় বেশীদিন হয় নাই।আমার ভুল না হলে জহির সাহেব আওয়ামীলীগ এর রাজনীতির সাথে যুক্ত হন মুজিব ভাইয়ের দিতৃীয় বিবাহের পর হতেই। ভাবী জহির সাহেবদের আত্বীয় হওয়ার শুভাধে। মুজিব ভাইয়ের হাত ধরেই তার আওয়ামী রাজনীতির হাতে কড়ি।তার এই চরম দৃষ্টতার সব্বোচ্ছ বিচার করতে দল ব্যর্থ হলে শ্রদ্ধেয় নেতা মোম্ভাক আহম্মদ চৌধুরীকে সবিনয়ে অনুরোধ করবো,মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট গিয়ে পদত্যাগ পত্র দিয়ে সম্মানের সহিত দল থেকে বিদায় নিয়ে নেন। কেননা কক্সবাজার বাসী জানে আপনি সারাটা জীবন আওয়ামীলীগকে দিয়ে গেছেন। আওয়ামীলীগ থেকে কিছু নেন নাই। জীবনের শেষ বয়সে মানসম্মানটা নিয়ে যেথে না পারলে কি আর করার আছে। আমি,আমরা আপনার জন্য আজ কিছু করতে পারছিনা বলে আমাদেরকে ক্ষমা করবেন। কারন দলে আজ আমরা পদ পদবী হীন। হাইব্রিডরাই দলের সব পদ-পদবী দখল করে আছে।

Top