izmir kizlar
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

কক্সবাজার প্রধান সড়কের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নেমেছে কউক

IMG_20201103_125154.jpg

নুরুল আবছার।।

পর্যটন নগরী কক্সবাজার শহরের একমাত্র প্রধান সড়ক আলোর মুখ দেখতে শুরু করেছে। এলক্ষ্যে কউক পুরোদমে কাজ শুরু করেছে। সোমবার সকাল থেকে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের তত্তাবধানে সড়কের প্রশস্তকরণে লক্ষ্যে সড়কের পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু করেছে। ৫.২ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটির হলিডে মোড় থেকে হাশেমিয়া মাদ্রাসা পর্যন্ত অংশের কাজ শুরু হলো প্রথম পর্যায়ে। এই অংশে সড়কের দুইপাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নেমেছে কউক।

সোমবার বিকালে সড়কের কাজের পরিদর্শনে গিয়ে কউক চেয়ারম্যান লে. কর্ণেল (অব.) ফোরকান আহমদ এলডিএমসি, পিএসসি বলেন, অতীতে সড়ক ও জনপদ বিভাগ যে জমি অধিগ্রহন করেছিল তাতেই সড়ক নির্মিত হবে কোন ব্যক্তিমালিকানাধীন সম্পত্তি কউক অধিগ্রহন করবেনা এবং কারো ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে আঘাত করবে না কউক ।

তিনি আরও বলেন,কউক জনবান্ধব উন্নয়ন মূলক প্রতিষ্ঠান।যা আধুনিক কক্সবাজার গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে। যেই প্রতিষ্ঠানটি প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন পূরনে কক্সবাজারে আলো দেখাচ্ছে সেই প্রতিষ্ঠান নিয়ে কিছু কুচক্রি মহল যারা রাস্তার অবৈধ দখলদার তারা এক হয়ে নানা গুজব ছড়াচ্ছে সড়ক নির্মানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির জন্য আপনাদেরকে তাদের বিরুদ্ধে স্বোচ্চার হতে হবে।কউক চেয়ারম্যান বলেন,প্রধান সড়ক চায় না তারা ওই শহর বাসির শত্রু।তাদেরকে চিহ্নিত করুন এবং সড়ক প্রশস্থকরণে তিনি সকলের সহযোগীতা কামনা চেয়েছেন।

প্রকল্প পিডি লে.কর্ণেল আনোয়ার উল ইসলাম বলেন, বাংলাদশের রোল মডেল হবে কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়ক।সেই লক্ষ্যেই আমরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে পথচারীদের কষ্টের কথা বিবেচনা করে বেশি ভাঙ্গা অংশ হিসেবে চিহ্নিত হাশেমিয়ার ব্রিজ থেকে কাজ শুরু করছি। তিনি সড়ক নির্মানে মানুষের সাময়িক কষ্টের জন্য ধৈর্য্য ধারন করার আহবান জানান।

কউক জানায়, ২৯৮ কোটি ১৪ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ব্যয়ে ৫ দশমিক ২ কিলোমিটার অংশে হবে এই সংস্কার ও প্রশস্তকরণের কাজ। হলিডে মোড় থেকে বাস টার্মিনাল পর্যন্ত প্রশস্ত করা হবে এই সড়কটি। সড়কের প্রশস্তকরণের পাশাপাশি দুইপাশে পথচারীদের চলাচলের জন্য ফুটপাত, ফুটওভার ব্রিজ, ড্রেন, ব্রিজ-কালভার্ট, সাইকেলওয়ে নির্মাণ করার কথা রয়েছে। এছাড়া সড়কে সবুজায়ন, দুইপাশে সড়ক বাতি ও সিসি ক্যামেরা এবং ওয়াইফাই সংযোগ থাকবে বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধিনে ছিল দীর্ঘযুগ ধরে। কিন্তু সড়কটি মানুষের জন্য কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ালে কউক চেয়ারম্যান কক্সবাজারের সন্তান হিসেবে সড়কটির উন্নয়নের জন্য একটি হাই প্রোফাইল তৈরি করে মন্ত্রনালয়ে জমা দেন।এরপর অনুমোদন না হওয়ার আগেই তড়িঘড়ি করে সড়ক বিভাগ উক্ত সড়কটি কউককে হস্তান্তর করে।এরপর নানা জটিলতায় পড়লে সড়কটির কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।কিন্তু কউক চেয়ারম্যান সড়কটি কে চলাচলের উপযোগির জন্য একাধিকবার সংস্কার করেন।

Top