izmir kizlar
porno izle sex hikaye
çorum sürücü kursu malatya reklam inönü üniversitesi taban puanları

নেই বাজার কমিটি, খাস কালেকশনের নামে লুটপাট!

IMG_20201114_005711.jpg

পেকুয়া প্রতিনিধি।।

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার অন্যতম বাণিজ্যিক কেন্দ্র বারবাকিয়া বাজারে বিগত ৮ বছর ধরে নির্বাচিত কোনকমিটি নেই! কমিটি না থাকায় বাজারে বিশৃঙ্খলা অবস্থা বিরাজ করছে।

এছাড়াও শহিদুর রহমান ওয়ারেচী নামের এক লোক উচ্চ আদালতে মামলা করে বাজার ইজারাও বন্ধ রেখেছেন গত দুই বছ ধরে। বাজার ইজারা বন্ধ থাকায় এককালীন যে রাজস্ব প্রতি বছর সরকারের কোষাগারে জমা হতো তাও হচ্ছেনা। বাজার ইজারা বন্ধ থাকায় খাস কালেকশনের নামে মূলত কতিপয় লোক সিন্ডিকেট করে গত দুই বছর ধরে হাসিল উত্তোলন করে লুটপাট করছে। খাস কালেকশনের অর্থ লোপাটের সাথে সরাসরি জড়িত রয়েছে বাজারের বিগত কমিটির সদস্য সচিব জাকের হোছাইন নামের এক দূর্নীতিবাজ লোক।

প্রাপ্ত অভিযোগ ও খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিগত ৮ বছর ধরে বারবাকিয়া বাজারের নির্বাচিত কোন কমিটি গঠিত হয়নি। বিগত ০৩/০৭/২০১৭ইংরেজী তারিখ পেকুয়া উপজেলার সাবেক ইউএনও মাহবুব উল করিম তিন বছরের জন্য নিয়ম বহির্ভূতভাবে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি অবৈধ কমিটি গঠন করেছিল। বর্তমানে ওই কমিটির মেয়াদ নেই। অভিভাবকহীন অবস্থায় রয়েছে বারবাকিয়া বাজার। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এখনো বারবাকিয়া বাজার পরিচালনা কমিটি গঠনের জন্য কোন ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে বাজারে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তৈরীর পাশাপাশি বাজারের ব্যবসায়ীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে বলে অনেক ব্যবসায়ীরা এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন।

এদিকে বারবাকিয়া বাজারে নির্বাচনের মাধ্যমে পরিচালনা কমিটি গঠনের জন্য গত ২০/১০/২০২০ ইংরেজী তারিখ বারবাকিয়া বাজারের ৭৬ জন ব্যবসায়ী গণস্বাক্ষর করে স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ¦ জাফর আলমকে লিখিতভাবে অবহিত করেছেন। এরই প্রেক্ষিতে স্থানীয় সাংসদ পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে নির্বাচনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেন। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অধ্যবধি পর্যন্ত নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠনের জন্য উদ্যোগ নেয়নি। কবে নাগাদ বাজার পরিচালনা কমিটি গঠনের জন্য নির্বচনের তফশীল ঘোষনা করা সে বিষয়ে জানতে পেকুয়ার ইউএনওর বক্তব্যর জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

বারবাকিয়া বাজারের প্রবীণ ব্যবসায়ী নুরুল হোছাইন জানান, বারবাকিয়া বাজার একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বাজার। দীর্ঘ ৮ বছর ধরে এ বাজারে নির্বাচিত কমিটি নেই। বাজারের নির্বাচিত কমিটি না থাকায় ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অবিলম্বে বারবাকিয়া বাজার নির্বাচনের তফশীল ঘোষনা করে নির্বাচিত কমিটি গঠন করে বাজারে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য উপজেলা প্রশাসনের প্রতি জোরালো দাবি জানান।

সরেজমিনে বারবাকিয়া বাজার পরিদর্শন করে জানা গেছে, গত দুই বছর ধরে বারবাকিয়া বাজার ইজারাও বন্ধ রয়েছে। শহিদুর রহমান ওয়ারেচী নামের এক লোক বাজার ইজারার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের করে বাজার ইজারাও বন্ধ করে রেখেছেন। বাজার ইজারা বন্ধ থাকায় সরকারের কোষাগারে যে এককালীন রাজস্ব জমা তাও আর হচ্ছেনা। বর্তমানে বাজারে খাস কালেকশনের নামে চলছে লুটপাট। বাজারে সপ্তাহে ২ দি হাট বসে। প্রতি হাটে কমপক্ষে ৫ হাজার টাকার উপরে হাসিল উত্তোলিত হয়। দুই জন লোক নিয়োগ করে প্রতি হাটের দিন এসব হাসিলের টাকা উত্তোলন করায় জাকের হোছাইন নামের এক লোক। প্রতি সপ্তাহে দুই দিনের হাটের ১০ হাজার টাকারও বেশি খাস কালেকশন হলেও নামমাত্র টাকা বারবাকিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদারের কাছে জমা করেন জাকের হোছাইন। এভাবে গত দুই বছর ধরে বারবাকিয়া বাজারে খাস কালেকশনের নামে মূলত লুটপাট চালাচ্ছে জাকের হোছাইনের নেতৃত্বে একটি সিন্ডিকেট।

এছাড়াও গত ঈদুল আজহার দশদিন পূর্বে থেকে বারবাকিয়া বাজারে গুরুর হাট বসিয়ে গরুর ক্রেতা-বিক্রেতাদের কাছ থেকে কমপক্ষে ৩ লক্ষাধিক টাকা হাসিলের নামে আদায় করে আত্মসাৎ করেছেন জাকের হোছাইন সিন্ডিকেট।

এসব অভিযোগের ব্যাপারে জানতে বারবাকিয়া বাজারের মেয়াদোর্ত্তীণ কমিটির সদস্য সচিব জাকের হোছাইনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়েই কথা বলতে রাজি হননি।

বারবাকিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বারবাকিয়া বাজারের খাস কালেকশন উত্তোলনের দায়িত্ব পালন করছেন জাকের হোছাইন। গত দুই বছর কি পরিমাণ খাস কালেকশনের টাকা জমা করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি তার তথ্য জানাতে পারেনি।

Top